আযানের দো’আ ও তার ফযীলত

0
117


عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ النِّدَاءَ اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ حَلَّتْ لَهُ شَفَاعَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ

জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “যে ব্যক্তি আহ্বান (আযান) শোনার পর বলবে: আল্লা-হুম্মা রব্বা হা-যিহিদ্ দা’ওয়াতিত্ তা-ম্মাতি ওয়াস্সলাতিল্ ক্বা-য়িমাতি আ-তি মুহাম্মাদানিল্ ওয়াসী-লাতা ওয়ালফাদী-লাহ্ ওয়াব’আসহু- মাক্বা-মাম্ মাহমূদাল্লাযী-ওয়া’আদতাহ্ (অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাযের প্রভু! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্মান ও উচ্চ মর্যাদা দান করুন। তাঁকে প্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দিন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন।) –তার জন্য কেয়ামতের দিন আমার সুপারিশ অনিবার্য হয়ে যাবে।” [বুখারী: ৫৮৯]